あらすじ
শতাব্দীর লেখা ও আমরা আগুনের নিজস্ব এক ধর্ম আছে। আগুন তাপ ও আলো দুই-ই দান করে। তাই আগুন লুকিয়ে রাখা যায় না। যদি বলি শতাব্দীর লেখায় আগুন আছে, ভুল বিশেষ হবে না। কোনও এক ওয়েব ম্যাগাজিনে তার লেখা প্রথম পড়েই চমকে উঠি। একটা আলো দেখতে পাই। যখন চারিদিকে তাল তাল চাপ চাপ অন্ধকার, মাটি, সুড়ঙ্গের পর সুড়ঙ্গ। সঙ্গে সঙ্গে দু-তিন জন সমমনস্ক বন্ধুদের ওর লেখার সেই লিংক পাঠাই। তারা ওকে ডাকে তাদের ব্লগে, ম্যাগে লিখতে। এভাবেই ছড়িয়ে পড়ে শতাব্দীর লেখা জেন্ডার সংক্রান্ত প্রবন্ধ বা নিবন্ধ বা আত্মগদ্য, যাই বলুন, আমাদের মতো কিছু বুভুক্ষু পাঠকের হৃদয়ে হৃদয়ে... জেন্ডার নিয়ে যারা ভাবি, আকুল হই চারদিকের নানা অসংবেদনের, সমাজের গভীরে চারিয়ে থাকা পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর মাঝে মাঝেই মাথা তোলা দেখে। শতাব্দীর লেখা জনপ্রিয় হবার একটাই কারণ, ভাষার সরলতা আর ভাবনার স্পষ্টতা। অনেকটা লেখাপড়া সে অল্প বয়সে করে নিয়েছে। বয়সে আমাদের চেয়ে অনেকটাই ছোটো সে কিন্তু সেজন্যেই আশা আরও জাগে। পরবর্তী প্রজন্ম জোরদারভাবে হাতে তুলে নিয়েছে নারীবাদের ব্যাটন। আর সেই কাজে শতাব্দী অগ্রগণ্য, তৎপর, ক্লান্তিহীন। যুক্তি দিয়ে সে আবেগের কাছে পৌঁছয়। ‘পার্সোনাল ইজ পলিটিকাল’কে সে জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছে। এই সংকলনের অনেক লেখাই আমার আগে নানা ওয়েব ম্যাগে, ব্লগে পড়া। দুই মলাটের মধ্যে গ্রন্থনা করার কাজটা যত দ্রুত হয় ততই মঙ্গল। ছড়িয়ে পড়ুক আগুন। দীপ প্রোজ্জ্বল থাকুক। ভাবনার যুক্তির বিশ্লেষণের। নেকুপুষু মানসিক প্রতিবন্ধগুলো ছাড়িয়ে মেয়েরা সচেতন আর লড়াকু হোক আরো। এই বই হাতে নিয়ে। যশোধরা রায়চৌধুরী
